ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলায় ভয়ঙ্কর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার জেরে এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন। এই সংঘর্ষটি ঘটেছে সোমবার সন্ধ্যার দিকে ধরমন্ডল ইউনিয়নে। নিহত ব্যক্তির নাম জিতু মিয়া (৫৫), তিনি ঐ ইউপির সাবেক সদস্য ছিলেন। সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন, এর মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ধরমন্ডল ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার জিতু মিয়ার অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয় ফকির মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলমান ছিল। এই পুরনো শত্রুতার জের ধরে সোমবার বিকেলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতি শুরু হয়। এর পর, অনুষ্ঠানস্থল থেকে ফিরে আসার সময় দুই পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র, বিশেষ করে টেটা এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষের ফলে এলাকায় ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষের মধ্যে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু ঘটে ঘটনাস্থলেই। নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করতে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবায়দুর রহমান জানান, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন চার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।ováী পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নাসিরনগর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকাটিতে পরিস্থিতি এখনও থমথমে।





