মঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কারাগার থেকেই জ্যাকলিনকে বিলাসবহুল হেলিকপ্টার উপহার দিলেন সুকেশ

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই দিল্লির মান্ডোলি কারাগারে থাকা বিতর্কিত ব্যবসায়ী সুকেশ চন্দ্রশেখর এই বারও বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের প্রতি নিজের অনুরাগ প্রকাশে পিছপা হননি। এবারের বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে তিনি কারাবন্দি অবস্থান থেকেই জ্যাকলিনকে একটি অত্যাধুনিক ও বিলাসবহুল হেলিকপ্টার উপহার দিয়েছেন এবং সঙ্গে একটি আবেগঘন প্রেমপত্রও পাঠিয়েছেন, যা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চিঠিতে সুকেশ জ্যাকলিনকে ঘনিষ্ঠভাবে ‘বেবি বম্মা’ বলে সম্বোধন করে লিখেছেন, দীর্ঘদিন তাঁর কাছে না থাকা জীবনকে তিনি মরুভূমির তৃষ্ণার্ত পথিকের সঙ্গতরূপ বর্ণনা করেছেন। জ্যাকলিনকে অদূরে রেখে কাটানো সময় তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য—এমনই অনুভব চিঠিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

উপহার হিসেবে পাঠানো কালো রঙের হেলিকপ্টারটিতে জ্যাকলিনের নামের আদ্যক্ষর খোদাই করা রয়েছে। সুকেশ চিঠিতে জানিয়েছেন, মুম্বাইয়ের যানজট ও যাতায়াতের অসুবিধা দূর করার উদ্দেশ্য থেকেই তিনি এই বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন, যাতে জ্যাকলিন দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারেন।

আইনি জটিলতার আশঙ্কা অদেখায় রাখে না বলে বিবেচনা করে সুকেশ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই হেলিকপ্টার তিনি কোনো অপরাধলব্ধ অর্থ বা দুর্নীতির আয় থেকে কেনেননি, বরং নিজের দাবি করা ‘কষ্টার্জিত’ অর্থেই এটি ক্রয় করেছেন। এর আগেও করেইত উপহার ও দামী জিনিসপত্র পাঠানোর কারণে সিবিআই ও ইডির নজরদারিতে এসেছিলেন তিনি।

হেলিকপ্টার উপহার ও সুকেশের চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এবং চলচ্চিত্র জগতেও এই ঘটনায় নানা বিশ্লেষণ চলছে—বিশেষত এসময় এটি জ্যাকলিনের আইনি লড়াইয়ে নতুন কোনো জটিলতা তৈরি করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। তবে জ্যাকলিন এখনো উপহার বা চিঠি নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি।

পোস্টটি শেয়ার করুন