শনিবার, ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাকৃবির তিন অ্যালামনাই পেলেন স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬

জাতীয় পর্যায়ে সদীর্ঘ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থ্রি অ্যালামনাই। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শনকারী ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, চিকিৎসা, জনপ্রশাসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।

বাকৃবির তিন জয়ী হলেন:

– ড. জহুরুল করিম — বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে পুরস্কৃত হয়েছেন। তিনি বাকৃবির সাবেক অধ্যাপক; বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) ও ঢাকাস্থ পরমাণু শক্তি কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেছেন। এরপর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর মহাপরিচালক এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমির সভাপতি হিসেবে কর্মরত আছেন।

– ড. মোহাম্মদ আবদুল বাকী — গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে তার অবদানের জন্য পুরস্কৃত হচ্ছেন। তিনি বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল অনুষদের ছাত্র ছিলেন এবং পরে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক অ্যাডজাঙ্কট প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। একাধারে তিনি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর সাবেক মহাপরিচালক এবং ফার্ম মেশিনারী অ্যান্ড পোস্ট-হারভেস্ট টেকনোলজি (এফএমপিএইচটি) বিভাগের প্রাক্তন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন।

– প্রফেসর ড. এম.এ. রহিম — বাকৃবির উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক তিনি। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান গবেষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কৃষি বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।

এই অবদানের স্বীকৃতিতে তিনজনই দীর্ঘ কর্মজীবনে কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ায় তাদের এই সাফল্য কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে ধরা হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন