মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতা তারেক রহমান: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের মূল মেরুদণ্ড ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি কারও কাছে ট্রফি আনতে যাননি। বরং লন্ডনে গিয়ে বিদেশি লবিং করে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে ট্রফি সংগ্রহ করেছেন। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল কোন দল বা নেতা। তিনি হচ্ছেন ক্যাপ্টেন, যিনি বিদেশে গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে আগামী নির্বাচন সম্পন্ন করার পথ সুগম করেছেন। এই দিনগুলোতে মানুষ একত্রিত হয়ে আন্দোলন চালিয়ে গেছে, আর সেই আন্দোলনের পেছনে মূল চালিকা শক্তি ছিল ছাত্র-জনতার সদস্যরা। গুরুত্বপূর্ণ এ সময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান, অর্থাৎ ড. ইউনূস লন্ডনে গিয়ে তারেক রহমানের হাতে ট্রফি তুলে দিয়ে দেশের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য দারুণ প্রেরণা সৃষ্টি করেছেন। এতে প্রমাণিত হয়, আন্দোলনের মূল নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে কারা ছিলেন। আমাদের সবাইকেই বলতে হবে, এই আন্দোলনে সকলেরই অংশগ্রহণ থাকলেও নেতৃস্থানীয় চরিত্র ছিলেন তিনি। এই চুক্তি ও সমঝোতার ফলে আজ আমরা একটি স্বাধীন, উন্নত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এক নতুন দিগন্তে পা রাখতে পারছি। অপরদিকে, আওয়ামী লীগ সরকার ও সংসদ সদস্যরা এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে বলছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী ঘটনা, যা দেশের গণতন্ত্রের জন্য বদলে দিয়েছে। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম তার বক্তব্যে বলেন, এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল ছাত্রজনতা, যারা নানা চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘‘আমরা সবাই একসঙ্গে আন্দোলনে ছিলাম। ক্যাপ্টেন হিসেবে আমাদের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি, যিনি বিদেশ গিয়ে লবিং করে সংকট সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। বাস্তবে, এই আন্দোলনের সফলতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কৌশলী নেতৃত্বেই সম্ভব হয়েছে।” তিনি এই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় সংযোজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের কৃতিত্ব স্বীকার করেন। এছাড়া, তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের গৃহহীন ও নারীদের জন্য নতুন করে চালু হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড। ইতোমধ্যে এই কার্ড কার্যকর করেছে সরকার, যা গৃহস্থালি ও নারীদের জীবনমানের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। অন্যদিকে, কৃষকদের জন্যও চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, যার মাধ্যমে কৃষকদের সুবিধা ও স্বচ্ছতার ব্যবস্থা করা হবে। আগামী ১৪ এপ্রিল, পয়লা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদর থেকে এ কার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে, যা দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা লাভ করবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন