সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথম দফায় কৃষক কার্ড পাবেন ২২,৬৫১ জন, পহেলা বৈশাখে উদ্বোধন

পহেলা বৈশাখে দেশের চারটি বিভাগে প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষক কার্ড বিতরণের আরও এক বড় পদক্ষেপ taken হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। প্রথম দফায় দেশের ৮ বিভাগে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে এই কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হবে। এতে যোগ দেবেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

প্রথম দফায় মোট ২২,৬৫১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি ও দুগ্ধখামারীসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় কৃষকদের এই ডিজিটাল কার্ড দেওয়া হবে। মার্কিন সময় রোববার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজনされた এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পহেলা বৈশাখের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই নূতন উদ্যোগের উদ্বোধন করবেন। প্রথম পর্যায়ে এই প্রকল্প চালু হয়েছে দেশের আট বিভাগের দশটি জেলায়, সব মিলিয়ে এগুলো হলো পঞ্চগড়, বগুড়া, ঝিনাইদহ, পিরোজপুর, কক্সবাজার, কুমিল্লা, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মৌলভীবাজার এবং জামালপুরের কিছু উপজেলা।

প্রাক-পাইলটিং, পাইলটিং এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে এই কার্যক্রমের বিস্তারের মাধ্যমে সামগ্রিক বাস্তবায়ন করা হবে। এখন পর্যন্ত প্রাক-পাইলটিংয়ে ২০,৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের δεδομένα সংগ্রহ করা হয়েছে, যা মোট কৃষকদের প্রায় ৯৩.৭ শতাংশ। এদের মধ্যে ফসল উৎপাদনকারী, মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি এবং লবণ চাষিরাও অন্তর্ভুক্ত।

খবর অনুযায়ী, প্রাক-পাইলট পর্যায়ে এই কৃষকদের জন্য বছরে ২,৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। সফলতায় ৪ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী এই ডিজিটাল কৃষি সেবা চালু করা লক্ষ্য। মোট দেশের কৃষকের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২৭ লাখ।

উল্লেখ্য, কৃষক কার্ড একটি একক ডিজিটাল পরিচয়পত্র হিসেবে কাজ করবে, যা কৃষকদের জন্য নিরাপদ পেমেন্ট ব্যবস্থা, সরকারি সেবা ও প্রণোদনার সুযোগ সৃষ্টি করবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি খাতের ডিজিটাল রূপান্তর, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি ও দুর্নীতি হ্রাসের দিকেও মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন