রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদে ১০৩ প্রেক্ষাগৃহে মেগাস্টার শাকিবের ‘রকস্টার’

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের ১০৩টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেয়েছে মেগাস্টার শাকিব খানের আলোচিত চলচ্চিত্র ‘রকস্টার’। ঈদের দিন থেকেই রাজধানীর আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের একক প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ছবিটি ব্যাপক পরিসরে প্রদর্শিত হচ্ছে। আজমান রুশো পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তি পূর্বে থেকেই প্রচারণায় ছিল সক্রিয়, এবং ট্রেলার নিয়েই দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল জাগাতে সক্ষম হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনি একজন জনপ্রিয় রকস্টারের জীবনের উত্থান-পতনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। খ্যাতি ও গ্ল্যামারের আড়ালে একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত সংগ্রাম, মানসিক দ্বন্দ্ব এবং সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে তার টানাপোড়েনকে শৈল্পিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। শাকিব খানের বিপরীতে নানা গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েককে। বড় বাজেটের এই ছবিতে শাকিবকে নতুন ও ভিন্ন ধরনের গেটআপে দেখা যাচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই ভক্ত ও সমালোচকদের মনোযোগ কাড়ছে।

ঢাকার প্রেক্ষাগৃহ তালিকায় ‘রকস্টার’-এর অবস্থান বিশেষ শক্তিশালী দেখা যাচ্ছে। স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখা—বসুন্ধরা সিটি, এসকেএস টাওয়ার (মহাখালী), সীমান্ত সম্ভার, সনি স্কয়ার (মিরপুর), মিলিটারি মিউজিয়াম ও উত্তরা সেন্টার পয়েন্টে ছবিটির নিয়মিত শো চলছে। এছাড়া যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাস, কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাস, টঙ্গীর সাবা সোহানা সিনেপ্লেক্স এবং নারায়ণগঞ্জের সিনেস্কোপেও ‘রকস্টার’ মুক্তি পেয়েছে।

মাল্টিপ্লেক্সগুলোর পাশাপাশি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একক প্রেক্ষাগৃহগুলো—মধুমিতা, শ্যামলী, আজাদ, আনন্দ, সৈনিক ক্লাব ও গীত সিনেমা—তেও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দেশের বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও রংপুরসহ প্রতিটি বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা স্তরের সিনেমা হলে ছবিটি প্রদর্শিত হচ্ছে।

এবারের ঈদে মোটামুটি হাফ ডজন ছবির মধ্যে দর্শক চাহিদা এবং হলের সংখ্যার বিচারে ‘রকস্টার’ শীর্ষে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে সিনেমাটির প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী।

পোস্টটি শেয়ার করুন