বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতিফলন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন যে, ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ কেবলমাত্র জুলাই অভ্যুত্থানের স্মারক নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য চিত্র। তিনি বিশ্বাস করেন, এই জাদুঘর ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং তাদের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত করবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন, “জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আগামী প্রজন্মের সামনে ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচন করবে।” দেশের স্মৃতিতে এ দেশের মানুষের লড়াই, আত্মবিসর্জন এবং বীরত্বকে সংরক্ষণে এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেন, “এই জাদুঘর আমাদের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সাহসের নিরন্তর ইতিহাসকে জীবিত করে তুলবে।”

প্রধানমন্ত্রী এ দিনটিকে দেশের জন্য এক যুগান্তকারী 순간 হিসেবে অভিহিত করে বলেন, “আজকের এই দিনটি আমাদের দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।” তিনি সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

অতীতের শাসন ব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ফ্যাসীবাদের আমলে গুম-খুন অবাধে চালানো হতো।” এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, “ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, বিতাড়িত ফ্যাসিবাদী চক্র এই দেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।”

পোস্টটি শেয়ার করুন