সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দেবে הממשלה

গত ১৭ বছর ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে সংঘটিত দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখন থেকে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। আজ রবিবার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রথম কার্যদিবসের সূচনা মুখে কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভার পর তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

ড. মঈন খান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, বিএনপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষরা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন পায়নি। আমার মূল লক্ষ্য হবে দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নত করা এবং তাদের জন্য সরকারি সেবা দ্রুত ও যথাযথভাবে পৌঁছে দেয়া।” তিনি আরো অঙ্গীকার করেন, মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করে তার হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করবেন।

মূল্যবান গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি জনগণের সেবা দিয়ে থাকে, তাই এর কার্যক্রম আরো কার্যকর ও স্বচ্ছ করে তোলা জরুরি। তিনি জনগণের ক্ষমতার উৎসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও sincerity এর সাথে কাজ করার আহ্বান জানান। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের জন্য সরকারি সেবা নিশ্চিত করাই হবে প্রথম অগ্রাধিকার, কারণ তারা একেবারে সরকারি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল।

অতীত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সেই সময়ে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছিল এবং মন্ত্রণালয় থেকে রায় লিখে দেওয়া হত। বর্তমান সরকার তারেক রহমান ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশের জীবনমান উন্নয়নের কাজ করছে—এটাই তাঁদের অগ্রগতি। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বের স্মৃতিচারণ করে বলেন, তাঁর পরিবার দেশপ্রেম ও সেবা মূলক আদর্শের উপর ভিত্তি করে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে ড. মঈন খান বলেন, এই দায়িত্ব একদিকে অনেক গুরুদায়িত্বপূর্ণ, অন্যদিকে দেশের উচ্চমানের উন্নয়নের জন্য মূল্যবান। তিনি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। দেশের দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নত করা এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে কাজ করবেন তিনি। সবশেষে, তিনি মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন