মঙ্গলবার, ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি ছুটির দিনেও বাণিজ্যমেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে

শীতের তীব্রতা কমে আসায়, সরকারি ছুটির দিনগুলোতে বাণিজ্যমেলার দর্শকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবেই বেড়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল থেকেই আকাশে সূর্যের দেখা পাওয়া যাওয়ায় উৎসাহিত হয়ে পরিবারের সবাই মিলে মেলা কেন্দ্রে এসে ভিড় আরও বাড়ছে। শীতের চাকচিক্য কমে যাওয়ায় মেলায় উপস্থিতি যেমন বেড়েছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও আগের চেয়ে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। তাঁদের মুখে ফুটে উঠছে সফলতার হাসি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দিন যত বাড়ছে, ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যাও ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বেচাকেনাও গতির দিকে এগুচ্ছে।

নরসিংদীর শিবপুর থেকে এসেছেন আবু হানিফ মিয়া, তিনি বলছেন, প্রথম দিনের ভেতরই মেলায় আসার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু উপলক্ষ্য বাকি থাকার মতো কুয়াশা এবং শীতের কারণে তা সম্ভব হয়নি। তবে শুক্রবার, যার দিন সরকারি ছুটি, সকালে সূর্যের দেখা পাওয়ার পরে তিনি সপরিবারে মেলায় এসেছেন।

অন্যদিকে, নারগিস সুলতানা নামে এক দর্শনার্থী বলেন, আজ সূর্য ওঠার পর থেকে মেলায় আসা শুরু করেছি। রোদ্দুরের আলোতে মেলা যেন ঝলমলে হয়ে উঠেছে। এই পরিবেশে এসে খুব ভালো লাগছে। যদি পছন্দ হয়, তাহলে দিনভর কেনাকাটা করবেন বলে তিনি পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।

বেশ কিছুদিন ধরে সূর্য্যের দেখা না মিললেও আজ আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হওয়ার কারণে রৌদ্রের অনুভূতিও বেড়েছে। শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় বেশ উৎসাহে ভরপুর জনসাধারণের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় দিন যেখানে দর্শক সংখ্যা কম ছিল, এখন চতুর্থ দিন থেকে সকাল থেকেই লোকের উপস্থিতি বেড়ে চলেছে। ঢাকার পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) এই বছরের ৩০তম বাণিজ্য মেলা শুরু হয়েছে। গেট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই দর্শনার্থীদের ভিড় অনুমানসই বৃদ্ধি পেতে থাকছে।

ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, দিনের বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা-দর্শনার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তবে মেলার চূড়ান্ত রূপে জমে উঠতে এখনও আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। বেশ কিছু স্টলে সাজসজ্জার কাজ Still চলছে।

মেলা প্রবেশের টিকিটের ইজারাদার,

পোস্টটি শেয়ার করুন