ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য নিক্সন চৌধুরী এখন কালো টাকা খরচ করছেন। তিনি বলেন, এই আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান নেতা নিক্সন চৌধুরী তার দল ও স্বজনদের মাধ্যমে নানা ধরনের অবৈধ কর্মকান্ড চালাচ্ছেন। তার দুই এপিএস (সহকারী পুলিশ সুপার) এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে টাকা বিতরণ করছেন, যা নির্বাচনকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ বলে তিনি দাবি করেন। বিদেশ থেকেও নিক্সন চৌধুরী এই এলাকার মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে যেন নির্বাচন প্রভাবিত করতে চাইছেন বলে তিনি জানান।
শহিদুল ইসলাম বাবুল আরও বলেন, বাড়িঘরে মহিলা পাঠিয়েও বিভিন্ন উপায়ে টাকা দেওয়া হচ্ছে, এর কিছু ভিডিওও আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এই গোষ্ঠী বিশেষ একটি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাশাপাশি, প্রকাশ্যে অবৈধ অস্ত্রের উপস্থিতি ও মহড়া দিচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগের ভাইসহ কিছু ব্যক্তি— যা খুবই উদ্বেগজনক। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি জোর দাবি জানান, অন্যথায় ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে সদরপুরের কাঠপট্টি এলাকার তার বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অভিযোগ করেন বাবুল। তিনি বলেন, এই আসনে নিক্সন চৌধুরী বহুবার এমপি ছিলেন এবং তার বেশ কিছু অনুসারীও থাকছেন। নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে তিনি নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। প্রচুর কালো টাকা নিয়ে তিনি নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করছেন। আমাদের তথ্য অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজাহিদ বেগ ও তার সমর্থকরা নিক্সন চৌধুরীর সহযোগী নজরুলসহ কিছু ব্যক্তির সহায়তায় রাতের আঁধারে গাড়ি বহর নিয়ে এলাকা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, যা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক। এই প্রতিপক্ষের টাকা ও তৎপরতা নির্বাচনী পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এসময় সদরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বদরুজ্জামান, চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাদল আমীন, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম খন্দকার, জেলা কৃষকদের সেক্রেটারি মুরাদ হোসেন ও মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মামুন অর رশীদসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





