ফেনী জেলা থেকে প্রায় ৩৬ বছর পর পূর্ণ মন্ত্রিসভায় উপস্থিতি—এমন গুরুত্বপূর্ন মুহূর্তটি এসেছে অভিজ্ঞ নেতা ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল আউয়াল মিন্টুর মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রীপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়া মিন্টু বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তার মন্ত্রী হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই জন্মস্থান দাগনভূঞা ও সোনাগাজীর বিভিন্ন অংশে বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উল্লাস প্রকাশ করেন। উপজেলা সদর, বেকের বাজার ও সোনাগাজীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল সংগঠিত হয় এবং মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন পর জেলা থেকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকার মানুষ গর্বিত এবং এটিকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন। শপথগ্রহণ উপলক্ষে দলের নেতা-কর্মীরা স্লোগান দেন এবং রাস্তা ঘুরে নবনিযুক্ত মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
ফেনী-৩ আসনের বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলসহ স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছেন, ‘‘আবদুল আউয়াল মিন্টু একজন অনভিজ্ঞ নয়—তিনি অভিজ্ঞ নেতা; তার নেতৃত্বে দাগনভূঞা ও সোনাগাজীসহ উপজেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।’’
সরকারি এবং পার্টি সূত্রে জানানো হয়েছে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মিন্টু। তার শপথগ্রহণকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন আনন্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন (ওরফে মানিক) পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট।
ফেনীর রাজনৈতিক পরিবেশে এই পদোন্নতি স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। জেলা থেকে দীর্ঘদিন পর পূর্ণ মন্ত্রীর আসন ফিরে পাওয়াকে তারা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।





