টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লড়াকু মনোভাব দেখালেও সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নিতে হলো জিম্বাবুয়েকে। গ্রুপপর্বে ওমান, এবং প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তারা ক্রিকেট বিশ্বে বিস্ময় সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু সুপার এইটে টানা তিন হার—ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে—তাদের টুর্নামেন্ট শেষ করে দিল।
দিল্লির অরুণ জেটলি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের শেষ সুপার এইট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নামে জিম্বাবুয়ে। টসে জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৩ রান করে তারা। দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা একাই লড়াই চালান—মাত্র ৪৩ বল মোকাবেলায় ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ভর করে করে তিনি ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তবে রাজার একাই করা এই সংগ্রহই জয় আনতে পারল না।
১৫৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা হাসিল করে নেয় পাঁচ উইকেটের সহজ জয়ে। প্রোটিয়াদের তরুণ ব্যাটসম্যান ডেওয়াল্ড ব্রেভিস মাত্র ১৮ বল খেলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ঝড়ো ৪২ রান করে জয়ের কাজটি সহজ করে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকা কেবল ১৩ বল হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। এই জয়ের ফলে প্রোটিয়ারা সুপার এইটে তিনটি জয় নিয়ে ৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে সেমিফাইনালে উঠে যায়।
যদিও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে জিম্বাবুয়ে, তবু এই আসরটি তাদের ক্রিকেটের জন্য স্মরণীয় থাকবে। গ্রুপপর্বে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিবাধার কারণে পরিত্যক্ত হওয়ায় ৭ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে উঠেছিল তারা। বড় বড় দলের বিরুদ্ধে সাহসী ও মানসম্মত পারফরম্যান্স দেখিয়ে সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে দলটি বিশ্ববাজারে নিজের ক্ষমতা উপস্থাপন করেছে। শেষ অবধি জয় আর পরাজয়ের মিশ্র অনুভূতির সঙ্গে তাদের এবারের বিশ্বকাপ যাত্রা ছিল রোমাঞ্চকর ও গর্বময়।





