এতদিন ‘সুপার সাব’ হিসেবে খোঁচা দিতেও যাঁর খ্যাতি ছিল, এবারই শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়ে নিজের প্রতিপত্তি তুলে ধরলেন বেঞ্জামিন সেসকো। তরুণ স্লোভেনীয় স্ট্রাইকারের অনবদ্য খেলায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্রিস্টাল প্যালেসকে ২-১ গোলে পরাজিত করে। এই জয়ের ফলে রেড ডেভিলরা প্রিমিয়ার লিগে ২৮ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে অ্যাস্টন ভিলাকে পিছনে ফেলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার প্রতিযোগিতায় সুবিধাজনক অবস্থানে আসে।
ম্যাচের শুরুটা ইউনাইটেডের জন্য কঠিন ছিল। মাত্র চার মিনিটের মধ্যে ম্যাক্সেন্স লাক্রোইক্সের গোলে প্যালেস এগিয়ে যায় এবং ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সমর্থকদের চমকে দেয়। কিন্তু ম্যাচের প্রবাহ বদলে যায় ম্যাচের ৫৬ মিনিটে। লাক্রোইক্স বক্সের ভেতরে ম্যাথিউস কুনহাকে ফাউল করলে দীর্ঘ VAR পর্যালোচনার পর তাকে লাল কার্ড দেখানো হয় এবং ক্রিস্টাল প্যালেস একজন কমে যায়। একই ঘটনায় ইউনাইটেডকে দেওয়া পেনাল্টি থেকে অধিনায়ক ব্রুনো ফের্নান্দেস দলকে সমতায় ফেরান।
সমতা ফিরে ৮ মিনিটের পরে বেঞ্জামিন সেসকো মাঠ মাতান। ৬৫ মিনিটে বুলেট গতির এক হেডে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি, যা দলকে এগিয়ে নিয়ে আসে এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে। এটি সেসকোর গত সাত ম্যাচে ষষ্ঠ গোল; এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি তার দ্বিতীয় জয়ী গোলও বটে — এর আগের সোমবার তিনি এভারটনের বিপক্ষে দলের জয় নিশ্চিত করেছিলেন।
এই জয়ে মাইকেল ক্যারিকের তত্ত্বাবধানে সাত ম্যাচের মধ্যে এটি ইউনাইটেডের ষষ্ঠ বিজয়। ক্যারিকের অনুকরণীয় পরিবর্তন ও রণকৌশলে দলের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে এবং তারা শীর্ষ চার নিশ্চিত রাখার লক্ষ্য ধরে রাখছে। সব মিলিয়ে সেসকোর গোলক্ষুধা আর কোচিং স্টাফের পরিকল্পনা উল্টে দিয়েছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের স্বপ্ন—ফ্যানরা এখন নতুন আশায় উজ্জীবিত।





