বেনফিকার কোচ হোসে মরিনিয়ো আবারও শাস্তির মুখে পড়েছেন। পর্তুগিজ সকার ফেডারেশনের শৃঙ্খলা পর্ষদ তাঁকে দুই ম্যাচসহ মোট ১১ দিনের জন্য সব ধরণের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছে, যা ‘পর্তুগিজ ক্লাসিকো’ পোর্তোর বিরুদ্ধে ম্যাচের সময় ঘটে যাওয়া উত্তপ্ত ঘটনায় নাজুক স্থিতিকে আরও চাপ দেবে।
ঘটনাটি ঘটেছিল ম্যাচের অতিরিক্ত সময়, যখন ১-১ অবস্থায় থাকা ম্যাচের ৯১ মিনিটে মরিনিয়ো মাঠের বাইরে থেকে বল কিক করেন। পরে তিনি দাবি করেন যে দর্শকসামনেই গোল উদযাপন করার উদ্দেশ্যেই বল ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু সেটি সরাসরি পোর্তোর রিজার্ভ বেঞ্চে গিয়ে পড়ে। সেই ক্ষণে পোর্তোর সহকারী কোচ লুইস গঞ্জালেসের সঙ্গে দুই কোচের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। মরিনিয়ো একটি ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে গঞ্জালেসকে ‘ছোট’ বলে দেখালে জবাবে গঞ্জালেস তাঁকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলেও আখ্যা দেন।
ঘটনাস্থলে মরিনিয়োকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল এবং ম্যাচ পর্যালোচনার ভিত্তিতে পর্ষদ তাকে মোট ১১ দিনের জন্য ফুটবল কার্যক্রম থেকে নির্বাসিত করে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। একই কারণে পোর্তোর সহকারী কোচ লুইস গঞ্জালেসকেও এক ম্যাচ এবং আট দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মরিনিয়ো এই সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য এবং অনুপোযুক্ত’ বলে অভিহিত করেছেন এবং বেনফিকা আনুষ্ঠানিকভাবে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। উল্লেখ্য, রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচেও তিনি ডাগআউটে বসতে পারেননি—সেই দক্ষশাস্ত্রের পরিণতিও ছিল লালকার্ড-ভিত্তিক শাস্তি।
এই নিষেধাজ্ঞা বেনফিকার জন্য সময়ের দিক থেকে মন্দ সময়াতে এসেছে—ক্লাবটির সামনে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে এবং এই সময় কোচের অনুপস্থিতি মাঠে খেলোয়াড়দের মনোবল ও কৌশলে প্রভাব ফেলতে পারে। ফুটবল মহলের নজর এখন বেনফিকা কর্তৃপক্ষের আপিল এবং পরবর্তী ম্যাচে দলের প্রতিক্রিয়ার দিকে।





