বুধবার, ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেনদেন বেড়েছে, তবু অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মিশ্র রূপের মধ্যেই লেনদেন শেষ হয়েছে। প্রধান সূচক উঠতি থাকলেও অন্যান্য দুটি সূচকে পতন থাকায় সামগ্রিকভাবে বাজারে মিলেছিল মিশ্র চিত্র। তবু বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বাড়ায় লেনদেন আবারও হাজার কোটি টাকার ওপর গিয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে লেনদেন হয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র ৯০টির শেয়ারের দর বাড়েছে, ২৫১টির দর কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। অধিকাংশ শেয়ারের দর নেমে গেলেও ডিএসইএর মূল সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৩০৮ পয়েন্টে উঠে এসেছে। অন্যদিকে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১,০৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএস-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট পতিত হয়ে ২,০১৬ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।

লেনদেনের পরিমাণও বাড়েছে। ট্রেডিং সেশনে মোট ১,০২৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে, যা গত সোমবারের তুলনায় ৭০ কোটি ৭২ লাখ টাকা বেশি। আগের কার্যদিবসে এক্সচেঞ্জটিতে লেনদেন ছিল ৯৫৬ কোটি ১ লাখ টাকা। এক দিনে লেনদেনের এই বৃদ্ধিকে বাজারে বাড়তি সক্রিয়তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মিশ্র পারফরম্যান্স ধরা পড়েছে। সার্বিক মূল্যসূচক কাস্পি (CASPI) এ দিনে ৩৬ পয়েন্ট কমে ১৪,৮৪১ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সিএসইতে মোট ২১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ৮০টিতে দর বেড়েছে, ১১০টিতে দর কমেছে এবং ২৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। চট্টগ্রামে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

সংক্ষেপে, বাজারে লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারগুলোর অধিকাংশে দরপতন দেখা গেল—একটি মিশ্র চিত্র যা বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা ও অংশগ্রহণ দুটোই নির্দেশ করছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন