মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেয়ারবাজারে ঢালাও বিক্রি: ডিএসইএক্স ২৩ পয়েন্ট নেমে ৫,২০৩

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার দেশের দুই পুঁজিবাজারে ঢালাও বিক্রির প্রভাবে উল্লেখযোগ্য দরপতন ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সকাল সেশনে সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও দুপরে ১২টার পর বাজার টাইপ করে ফিরে যায় এবং অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর নিচে নামতে শুরু করে। দিনশেষে ডিএসইতে মাত্র ৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে, ২৫৫টির দর কমে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত থাকে। ফলস্বরূপ ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৩ পয়েন্ট খুলে ৫,২০৩ পয়েন্টে লেনদেন বন্ধ হয়েছে — চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই পতনের ধারাবাহিকতা বজায় রইল।

ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে ১,০৫৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১,৯৬৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও তীব্রভাবে নিম্নমুখী ছিল; এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন ছিল ৭২৬ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৪২ কোটি টাকা কম। লেনদেনের শীর্ষে ছিল মেঘনা ইন্স্যুরেন্স — তাদের শেয়ারের কেনাবেচা হয়েছে ২৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। এছাড়া ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, ব্র্যাক ব্যাংক ও টেকনো ড্রাগসসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও লেনদেনের তালিকায় উপরের দিকে ছিল।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সংকেত নেগেটিভ ছিল; সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক কাস্পিআই ৫১ পয়েন্ট নিম্নোয়। লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১১টির দর কমে, মাত্ৰ ৮১টির দর বেড়ে এবং ৩১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে এদিন লেনদেনের পরিমাণ কেবল ১৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৩২ কোটি ১১ লাখ টাকার থেকে অনেক কম।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, দিনের শেষ দিকে ব্যাপক বিক্রির চাপই এই সার্বিক পতনের প্রধান কারণ ছিল। শক্তিশালী মৌলিকতাসম্পন্ন কিছু কোম্পানির শেয়ার থেকেও এই ছাড়া ছাড়াও ‘জেড’ গ্রুপের বহুসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের দর কমায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা দেখা গেছে। ফলে ভলিউমও পড়ে যাওয়ায় সূচক ও বাজার দুইটাই নিম্নমুখী প্রভাবিত হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন