মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলে গোলাবারুদ নিয়ে কয়েক ডজন মার্কিন কার্গো বিমান অবতরণ

ইসরায়েলে গোলাবারুদ বোঝাই কয়েক ডজন মার্কিন কার্গো বিমান পৌঁছেছে, সূত্র জানায়। ইসরায়েলের চ্যানেল-১৩ এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে এসব বিমান গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তেল আভিবে অবতরণ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানকে সামনে রেখে এই গোলাবারুদ সরবরাহ করা হচ্ছে — এটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক প্রস্তুতির অংশ।

এর আগে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস দুটি মধ্যপ্রাচ্য কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, গত মাসের যুদ্ধবিরতির পরে ইরানের ওপর পুনরায় বড় ধরনের হামলা চালানোর লক্ষ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে জোরালো প্রস্তুতি শুরু করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আগামী সপ্তাহেই ইরানের কিছু লক্ষ্যবস্তু—নিউক্লিয়ার স্থাপনাগুলো এবং খার্গ দ্বীপ—লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে।

ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের ওপর নতুন করে হামলা চালায়, তাতে ইসরায়েল সরাসরি অংশ নিতে প্রস্তুত। দেশটির সেনাবাহিনী বর্তমানে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এক নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে কান জানিয়েছে, মার্কিন অভিযানে ইসরায়েল সরাসরি অংশ নেবে এবং এবার হামলার প্রধান লক্ষ্য হিসেবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোকে দেখা হতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মাঝে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ফোনালাপ হয়। ওই আলাপে দুজনেই ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় লড়াই শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

চ্যানেল-১২ জানিয়েছে, নতুন সংঘাত শুরু হলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’-এ রাখা হয়েছে। তেল আভিব আশা করছে, কোনো বড় অভিযান শুরুর আগেই ওয়াশিংটন তাদের আগে জানাবে, তবে হামলার সময় সম্পর্কে এখনও নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। চ্যানেল-১২ আরও দেয় খবর, আন্তর্জাতিক স্তরেই ট্রাম্পকে যুদ্ধ এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের জন্য বড় ধরনের চাপ রয়েছে—বিশেষ করে চীন থেকে তাকে সংঘাত এড়াতে বলার চাপ বাড়ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন