রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুসকাসে টাইব্রেকারে আর্সেনালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন পিএসজি

বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ভয়াবহ নাটক, আর্সেনালকে টাইব্রেকারে ৪-৩ হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জিতল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। নিয়মিত ও অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর পেনাল্টি শুটআউটেই নির্ণীত হয় চ্যাম্পিয়ন।

ম্যাচের শুরু থেকেই বসে থাকার চেষ্টায় ছিলেই আর্সেনাল, কিন্তু ষষ্ঠ মিনিটেই কাই হাভার্টজের গোলের মাধ্যমে এগিয়ে যায় গানাররা। গোলের পরে দর্শকরা ঠিক করে অভ্যস্তও হতে পারেননি, তবু পুরো ম্যাচে পিএসজি আক্রমণাত্মক ফুটবল চালিয়ে গিয়েছিল আর আর্সেনাল বেশি সময় রক্ষণ ভাগ সামলাতে ব্যস্ত ছিল।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬২ মিনিটে আর্সেনালের রক্ষণভাগের ভুল থেকে পরিস্থিতি পাল্টায়। বক্সে কাভারাস্কেইয়াকে ফাউল করার কারণে পিএসজি পায় পেনাল্টি, যা থেকে উসমান দেম্বেলে দলকে সমতায় ফেরান। পেনাল্টি নেওয়ার সময় ডেভিড রায়া সময়ক্ষেপণকে কেন্দ্র করে মাঠে সাময়িক উত্তেজনা তৈরিও হয়েছিল।

শেষ চারে খেলা আরও আগরতভাবে পরিণত হয়। ৭১ মিনিটে আশরাফ হাকিমির ক্রস থেকে দেম্বেলে গোল করার সুযোগ পান, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেননি। কিছুক্ষণ পর কাভারাস্কেইয়ার শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে ফিরে এসে আর্সেনাল ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও নির্ধারণী গোল না হওয়ায় ব্যবধান ঠিক হয় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে পিএসজির কিছু শট সফল থাকলেও আর্সেনালও প্রতিহত করতে বাধা দিল না; সার্জিও রামোস ও ‘দুয়ে’ টাইব্রেকারে লক্ষ্যভেদ করলেন, আর আর্সেনালের হয়ে ভিক্টর ইয়োকেরেস একটি পেনাল্টি করে গেলেও অন্যদের মধ্যে এজে এক পেনাল্টি মিস করেন। বিশেষ মুহূর্তটি তখন আসে যখন নুনো মেন্দেসের শট রায়া ঠেকিয়ে গানারদের ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু পরের পর্যায়ে গাব্রিয়েলের নির্ধারিত শট আকাশের দিকে গিয়ে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন ভেস্তে যায়।

ফলস্বরূপ পিএসজি তাদের ইউরোপীয় সিংহাসন বজায় রেখে লুইস এনরিকের অধীনে টিমকে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন করার গৌরবে ভাসাল।

পোস্টটি শেয়ার করুন