বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আত্মঘাতী গোলেই মিশরের জয়ের স্বপ্ন ভেস্তে গেল

দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি মিশর। বেলজিয়ামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা এগিয়ে থাকার পরও শেষ মুহূর্তে আত্মঘাতী গোলের কারণে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেছে মিশরকে। সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ সালাহ; তার সক্রিয় উপস্থিতিতে একের পর এক আক্রমণে চাপ সৃষ্টি করে তারা। ম্যাচে রোমেলু লুকাকু শুরুতে মাঠে ছিলেন না, যা বেলজিয়ামের আক্রমণকে কিছুটা ভিন্নভাবে সাজায়।

ম্যাচের ১৯ মিনিটে মাঠে নামেন প্রথম গোলের নায়ক ইমান আশুর। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া চমৎকার শটে বলটি বেলজিয়ামের জালে জড়ান তিনি—আন্তর্জাতিক আচরণিক পর্যায়ে এটিই তার প্রথম গোল এবং বিশ্বকাপের মঞ্চে মিশরকে গুরুত্বপূর্ণ সূচনার উপহার দেয়।

গোলের পর আরও আত্মবিশ্বাসী দেখা যায় মিশরকে; বল দখলে তারা এগিয়ে থাকলেও বেলজিয়ামের সংগঠিত রক্ষণভাগ বারবার ভাঙতে পারেনি। সেই কারণেই বিরতিতে মিশর ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়াম ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে দ্রুত আক্রমণের গতি বাড়িয়ে। ৫৩ মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার নেওয়া ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে ফিরে গেলে ইউরোপীয় দলের কাছে সমতা ফেরানোর একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হয়।

তারপরই ম্যাচের ৬৬ মিনিটে বেলজিয়াম সমতায় ফেরে। বদলি হিসেবে মাঠে নামা লুকাকুকে থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে মিশরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি নিজের জালে বল পাঠিয়ে দেন—আত্মঘাতী সেই গোল ম্যাচের গতিপথ বদলে দেয়।

পরবর্তী সময়ে কোনো দল আর জালে বল পাঠাতে না পারায় ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হয়। দীর্ঘ সময় এগিয়ে থেকেও একটি ভুলে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে মিশরীয় দল, তবু তাদের সংগ্রাম চোখে পড়ার মত ছিল।

পোস্টটি শেয়ার করুন