স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ সি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির দল রাউন্ড অফ ৩২-এ খেলবে আগামী ২৯ জুন (সোমবার) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় হিউস্টনের মঞ্চে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ এফের রানার্সআপ—তাই এখন নজর কেবল ওই গ্রুপের শেষ রাউন্ডের দুই ম্যাচের ওপর।
বর্তমান পরিসংখ্যান: নেদারল্যান্ডস ও জাপান দুইটি করে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে; গোল ব্যবধানও সমান (+৪), কিন্তু মোট গোলের অধিকতার কারণে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে (৭ গোলে বনাম জাপানের ৬)। সুইডেনের আছে ৩ পয়েন্ট, তিউনিসিয়া ইতিমধ্যে বিদায় নিশ্চিত করেছে। নেদারল্যান্ডস ও জাপানের প্রথম লিগ ম্যাচটি ২-২ ড্র হওয়ায় হেড-টু-হেড কোনো দলকে এগিয়ে রাখে না। যদি পয়েন্ট ও গোল ব্যবধান সমান থাকে, তাহলে মোট গোলসংখ্যা বিবেচিত হবে।
এখন আসি সরল সমীকরণে—ফাইনাল রাউন্ডে অনুষ্ঠিতব্য দুটি ম্যাচ: নেদারল্যান্ডস বনাম তিউনিসিয়া এবং জাপান বনাম সুইডেন। নিচে সম্ভাব্য ফলাফলের ভিত্তিতে ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষগুলো সংক্ষেপে দেওয়া হলো:
1) নেদারল্যান্ডস জিতলে (নেদারল্যান্ডস ৭ পয়েন্ট)
– যদি জাপানও জিতে: নেদারল্যান্ডস ও জাপান দুইজনে ৭ পয়েন্ট হবে; তখন রানার্সআপ টাইব্রেকারে (গোল ব্যবধান/মোট গোল) নির্ধারিত হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হতে পারে নেদারল্যান্ডস বা জাপান।
– যদি জাপান ড্র করে: জাপান ৫ পয়েন্ট পাবে এবং রানার্সআপ হবে জাপান — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ জাপান।
– যদি জাপান হারে: সুইডেন ৬ পয়েন্টে উঠে যাবে এবং রানার্সআপ হবে সুইডেন — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ সুইডেন।
2) নেদারল্যান্ডস ড্র করলে (নেদারল্যান্ডস ৫ পয়েন্ট)
– যদি জাপান জিতে: জাপান ৭ পয়েন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, নেদারল্যান্ডস রানার্সআপ হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
– যদি জাপানও ড্র করে: নেদারল্যান্ডস ও জাপান দুইজনে ৫ পয়েন্ট হবে; তখন টাইব্রেকার (গোল ব্যবধান/মোট গোল) দেখে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ নির্ধারিত হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নেদারল্যান্ডস বা জাপান।
– যদি জাপান হারে: সুইডেন ৬ পয়েন্টে উঠে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে এবং নেদারল্যান্ডস রানার্সআপ হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
3) নেদারল্যান্ডস হারলে (নেদারল্যান্ডস ৪ পয়েন্ট)
– যদি জাপান জিতে: জাপান ৭ পয়েন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে; নেদারল্যান্ডস ৪ পয়েন্টে থাকলে রানার্সআপ হবে নেদারল্যান্ডস — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস।
– যদি জাপান ড্র করে: জাপান ৫ পয়েন্টে রানার্সআপ হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ জাপান।
– যদি জাপানও হারে: সুইডেন ৬ পয়েন্টে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে; নেদারল্যান্ডস ও জাপান দুজনেই ৪ পয়েন্টে থাকলে টাইব্রেকারে রানার্সআপ নির্ধারিত হবে — ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হতে পারে নেদারল্যান্ডস বা জাপান।
সংক্ষেপে: ব্রাজিলের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ তিনজনের মধ্যে কেউ একজন — নেদারল্যান্ডস, জাপান বা সুইডেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ‘এফ’ গ্রুপের দুই ম্যাচ শেষ হওয়া পর্যন্ত; সেই ম্যাচগুলো বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টায় শেষ হবে এবং তারপরই রাউন্ড অফ ৩২-এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত হবে।