বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় মূলধনী শেয়ারদের প্রভাবেই পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ল

সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবস বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোটামুটি মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সকাল সেশনে বড় ও ликুইড শেয়ারের দর বাড়ানোর ফলে সূচক এক সময় প্রায় ৫৫ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠে গেলো, তবে দিনের মাঝে বিমা ও বস্ত্র খাতের ব্যাপক দরপতনের প্রভাব বাজারে ঋণাত্মক চাপ সৃষ্টি করে। শেষপর্যন্ত বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের স্থিতিশীলতা সূচককে ইতিবাচক রেখেছে।

দিনশেষে ডিএসইতে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়লেও ২১৮টির দাম কমে যায় এবং ৫১টির দাম অপরিবর্তিত থাকে। বিশেষভাবে বিমা খাতে ৪৪টি কোম্পানি ও বস্ত্র খাতে ৪৬টি কোম্পানির শেয়ারে বড় ধরনের পতন হয়েছে। অন্যদিকে বেছে নেওয়া ৩০টি শক্তিশালী কোম্পানির মধ্যে ২২টির দর বাড়ার ফলে বাজারের ওপর বড় মূলধনীদের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) মিলিসমান প্রবণতা দেখা গেছে—বড় শেয়ারের কিছু লিফটে সূচক বাড়লেও লেনদেন মোটামুটি শান্ত ছিল। সিএসইর সার্বিক সূচক কাসপিই 이날 ৯১ পয়েন্ট বেড়ে আসে, কিন্তু লেনদেনের পরিমাণ গত দিনের তুলনায় অনেক কমে এসে দাঁড়ায় মাত্র ৩২ কোটি ১৭ লাখ টাকায়। এখানে মোট ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে ১০১টির দাম বাড়ে এবং ১২৫টির দাম কমে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ছোট ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধনী চলে আসলেও বিনিয়োগকারীদের বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারের প্রতি আগ্রহ বাড়ায় সূচকের উর্ধ্বমুখী অবস্থান বজায় রাখতে সহায়তা করেছে। ফলে চলতি সপ্তাহের চার দিনই দেশের উভয় পুঁজিবাজারে মোটের ওপর সূচকের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে, যদিও লেনদেনের শ্রেণীবিভাগ ও খাতভিত্তিক পারফরম্যান্স ভিন্ন রকম ছিল।

পোস্টটি শেয়ার করুন