বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিউচুয়াল ফান্ড চড়ালেও পুঁজিবাজারে সূচকের পতন

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন দেখা গেছে। মুড শোকের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড খাতটি উলটো দাপট দেখিয়েছিল—কিছু ফান্ড লেনদেন শুরুর আগেই দরবৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়—তবে তা সূচকের চূড়ান্ত অবনমন থামানোতে যথেষ্ট ছিল না। দিনশেষে ডিএসইর সব প্রধান মূল্যসূচকই নীচে রয়েছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) যদিও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, তবু সেখানে সার্বিক সূচকের পতন ঠেকানো যায়নি। সিএসইতে লেনদেনের গতি ছিল মন্থর। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মোট লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় বাড়ে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে দিনের শুরু থেকেই মিউচুয়াল ফান্ড খাতটি দরবৃদ্ধির শীর্ষে ছিল। লেনদেন শুরুর কয়েক মুহূর্তের মধ্যে বেশ কয়েকটি মিউচুয়াল ফান্ডের মূল্য সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে যায় এবং দিনের শেষ পর্যন্ত সেই উত্থান ধারাবাহিক থাকে। তবু অন্যান্য খাতে সংগৃহীত চাপ ও যেসব কোম্পানির দরপতন তা কাটিয়ে উঠতে পারে নি, ফলে সার্বিকভাবে সূচক নেমে আসে।

পরিসংখ্যনে, ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে ১ হাজার ২১১ কোটি ১৩ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৮১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বেশি। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক কাসপিআই (CASPI) ২০ পয়েন্ট কমেছে। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৭টির দাম বেড়েছে, ১০৮টির দাম কমেছে এবং ২৬টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইতে দিনশেষে মোট লেনদেন হয়েছে ১৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

মোট মিলিয়ে, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ইতিবাচক পারফরম্যান্স বাজারে বড় ধস ঠেকাতে সহায়তা করেছে, কিন্তু বিস্তৃত দরপতন ও সচলতার অভাবে সূচক পুনরুদ্ধার করতে পারেনি।

পোস্টটি শেয়ার করুন