মঙ্গলবার, ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জায়েদ খানের ভিন্ন রূপ: ‘আমেরিকান ড্রিম’‑এ শ্রমিক চরিত্রে প্রশংসা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়ক জায়েদ খান কয়েক মাস ধরে নিউ ইয়র্কে রয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর একটি ছবি ভাইরাল হলে নেটদুনিয়ায় ঘন জল্পনা তৈরি হয়—ছবিতে দেখা গেলেন প্রথাগত পরিপাটি ইমেজ ছেড়ে নিউ ইয়র্কের ব্যস্ত রাস্তায় একজন সাধারণ শ্রমিকের কাজে ব্যস্ত মানুষ হিসেবে তিনি। সেসব প্রশ্নের জবাব দিতে নিজের ফেসবুক পেজে তিনি নতুন একটি প্রজেক্টের পোস্টার প্রকাশ করে রহস্য উন্মোচন করেছেন।

প্রকাশিত ছবিটি ছিল ‘আমেরিকান ড্রিম’ নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের অংশ। নিউ ইয়র্কভিত্তিক জনপ্রিয় বাংলাদেশি মিডিয়া আউটলেট ঠিকানার প্রথম অরিজিনাল শর্টফিল্ম হিসেবে এটি তৈরি হয়েছে। সংগীতশিল্পী ও নির্মাতা জন কবিরের পরিচালনায় অড়াই মিনিটের এই কাজটি গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঠিকানার অফিশিয়াল পেজে প্রকাশ পায়। ঠিকানা জানায়, এ কাজটি তাদের ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস’ সিরিজের অংশ।

শর্টফিল্মটি প্রবাসী জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত—বহুদূরে থাকা ‘আমেরিকান ড্রিম’ যত মোহনীয় লাগুক, বাস্তবে একটি অভিবাসীর জীবন বেশি শ্রমসাধ্য এবং ত্যাগে ভরা। পরিচালক জন কবির চিত্রনাট্যের মাধ্যমে সেই অদেখা সংগ্রাম, বাস্তব হতাশা ও অপ্রাপ্তির বেদনা দেখিয়েছেন, আর জায়েদের চরিত্রের মধ্য দিয়ে সেই প্রতিবিম্ব ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মুক্তির পর অড়াই মিনিটের এই শর্টফিল্ম দর্শক ও নেটিজেনদের মাঝে দ্রুত আলোচিত হয়ে ওঠে। দীর্ঘ বিরতির পর সম্পূর্ণ ভিন্ন চরিত্রে জায়েদ খানের অভিনয়কে অনেকে প্রশংসা করেছেন—কয়েকজন মন্তব্য করেছেন এটি তাঁর অভিনয়জীবনের সেরাগুলোর মধ্যে একটি, আবার অনেকে লিখেছেন এত মার্জিত ও গভীর চরিত্রে তাঁকে আগে কখনো দেখা যায়নি। প্রচলিত ইমেজ থেকে সরে গিয়ে এক লড়াকু প্রবাসীর ভূমিকায় তাঁর এই আবির্ভাব বিনোদনাঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

ছবির টিম এবং চলচ্চিত্রসংক্রান্ত অনেকেই বলছেন, ‘আমেরিকান ড্রিম’ জায়েদ খানের ক্যারিয়ারেই একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন