শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় শুরু ‘সেইফকন ২০২৬’—টেকসই অবকাঠামো ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির জোরদার প্রচেষ্টা

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড সংলগ্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল থেকে তিন দিনব্যাপী ১১তম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘সেইফকন ২০২৬’ শুরু হয়েছে। সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড আয়োজিত এ মেলা আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রদর্শনীতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তি, আধুনিক বিদ্যুৎ ও আলোকসজ্জা, টিম্বার ও পানি ব্যবস্থাপনার মত গুরুত্বপূর্ণ খাতের অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এবং সমাধানগুলো উপস্থাপন করা হচ্ছে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এ মেলার মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগসূত্র গড়ে তোলা এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই মূল লক্ষ্য।

এখানে অংশ নেওয়া দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাম্প্রতিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি তুলে ধরছে, যা দেশের প্রকৌশলী, স্থপতি ও নীতিনির্ধারকদের আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দিতে সহায়ক হবে। এমন প্রদর্শনী নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সহযোগিতা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনার ক্ষেত্রকে আরও প্রসারিত করবে বলে আয়োজকদের আশা। বিশেষজ্ঞরা এটিকে কারিগরি জ্ঞান বিনিময় এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ, তুরস্ক দূতাবাসের বাণিজ্যিক কাউন্সিলর বিলাল বেলিউর্ট, জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আরেফিন রাফি আহমেদ, কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন এজেন্সির উপ-পরিচালক সুনঘুন লি, চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ওয়াং হংবো এবং বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি এ জেড এম আজিজুর রহমান। সেভর ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলমও উদ্বোধনীতে উপস্থিত থেকে প্রদর্শনীর সাফল্য কামনা করেন।

সংক্ষিপ্তভাবে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিল্পস্থরের প্রতিনিধি মনে করছেন, ‘সেইফকন ২০২৬’ দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও বিনিয়োগকে এগিয়ে আনবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন