শুক্রবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেগম খালেদা জিয়ার পুরস্কার গ্রহণ করলেন জাইমা রহমান

দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এবার অবদান রেখেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও, যাঁর জন্য এই স্বীকৃতি মরণোত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ এপ্রিল), তাঁর নাতনি জাইমা রহমান উক্ত পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এই বিশিষ্ট সম্মাননা গ্রহণ করেন। ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীত্ব ও দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য, পাশাপাশি নারী শিক্ষায় আলাদা অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

এছাড়া, এই বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির পাশাপাশি পাঁচটি প্রতিষ্ঠানও পুরস্কার পেয়েছে। প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য রয়েছে ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, পাঁচ লাখ টাকা অর্থমূল্যভাবেও চেক, একটি রেপ্লিকা পদক এবং সম্মাননাপত্র।

মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা ক্যাটাগরিতে মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক জহুরুল করিম। সাহিত্যে এ Fahrrgruppe 009218bet প্রেরিত গড়োিনা ৯৯শ্ ফুটন্ত আনা টাকাগা উকট ও বিভূতি ৱাসিণের কা থাক ঐতিহাসিক উল্লেখ দিনতো। সৌন্দর্য্য ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের জন্য এসেছে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) এবং বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ। ক্রীড়া ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার জন্য পুরস্কৃত হোন টেবিল টেনিসের কিংবদন্তি জোবেরা রহমান লিনু।

সমাজসেবায় চারজন পুরস্কার লাভ করেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), মো. সাইদুল হক, ও যুদ্ধবিমানের দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)। আরো পুরস্কার পেয়েছেন প্রশাসনসমূহে কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। পরিবেশ সংরক্ষণে মুকিত মজুমদার বাবু এবং অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহও এই সম্মাননা পায়।

বিশেষ করে, মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজকেও সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী উন্নয়নে পিকেএসএফ, সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রও এই গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি লাভ করে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এই ধরনের গৌরবোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে, যা সাধারণত স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ঘোষণা এবং বিতরণ করা হয়। এই বছরও অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৬ সালের বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন