গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপির সঙ্গে সক্রিয় রাজনীতিক রাশেদ খাঁন জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কঠোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই দলের রাজনৈতিক পতন ঘটবে এবং এতে মূল দায় থাকবে তাদের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের উগ্র আচরণ ও অযোগ্যতার ওপর।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন দলের নেতাকর্মীদের পাঠানো কুরুচিপূর্ণ বার্তার একটি চিত্র তুলে ধরেন। তিনি লিখেছেন, “জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের ভাষা দেখেন। ঠিক প্রতিদিন এমন অসংখ্য গালিগালাজ মেসেজ করে আমার আইডি ও পেজের ইনবক্সে পাঠায়। আমি কেন ওদের যৌক্তিক সমালোচনা করি, জাস্ট একটা নমুনা দিলাম।”
রাশেদ অভিযোগ করেন, গালাগালকে হাতিয়ার করে তাঁকে বাকরুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। তার ভাষ্য, “ওরা ভাবে মা-বাপ তুলে গালি দিলে আমি ওদের গালির ভয়ে চুপ হয়ে যাবো। মূলত, আমাকে থামিয়ে দিতে গালিই ওদের হাতিয়ার। কিন্তু, এই গালিবাজরা বুঝতেছে না, সামনে ওদের করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে।”
তিনি জামায়াতকে ইতিহাসের এক অপছন্দ্য বিরোধী দল হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, দলের পতনের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। সংসদে তাদের পারফরমেন্স নিয়ে প্রশ্ন তুলতে গিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, “তাদের অযোগ্যতা সংসদে দৃশ্যমান। তারা যত মুখ খুলবে, ততো তাদের ভুল ও অযোগ্যতা বের হয়ে আসবে।”
রাশেদ আরও বলেন, এইভাবে খুব শিগগিরই ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য বিরোধীদল জামায়াতের নির্মম পতন হবে এবং এর জন্য দায়ী থাকবে তাদের মূর্খ নেতাকর্মীরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন পরিচিত নেতার এমন সরাসরি আক্রমণ জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে নতুন আলোচনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যক্তিভিত্তিক তীব্র সমালোচনা ও সম্প্রচারিত অভিযোগগুলো ভবিষ্যতে রাজনৈতিক দামামায় প্রভাব ফেলতে পারে।
ঘটনাসংক্রান্ত এই লেখার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক সংগ্রাম ও উত্তাপের মধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সূচনা হওয়া সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।