বুধবার, ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের মিতসুই প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই পক্ষই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ন আলোচনা করেন।

মিতসুই একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবকাঠামো, লজিস্টিকস, জ্বালানি, ধাতু এবং খাদ্য বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বৈঠকে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে কৃষি, খাদ্য শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি এবং জ্বালানি খাতে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নির্ধারণ এবং বিদ্যমান বিনিয়োগের পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ ব্যক্ত করে।

সরকারি পক্ষ বৈঠকে জানায় যে বর্তমান সরকার খুবই বিনিয়োগবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং বিদেশি পুঁজি আকর্ষণ ও সম্প্রসারণে সব ধরণের সহায়তা প্রদান করবে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে প্রশাসনিক অনুমোদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে সহজ ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি সংস্থাকে ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’-এর আওতায় একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত এবং বাধামুক্তভাবে সম্পন্ন করা যায় বলে সরকারের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। মিতসুই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকাতো সাতো। অন্যদের মধ্যে ছিলেন চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার তাকানোবু মুরায়ামা, মিতসুই বাংলাদেশের কান্ট্রি চেয়ারপারসন কেনইচিরো কাওয়ামোতো এবং ঢাকা শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।

বৈঠক শেষে দুই পক্ষই যৌথভাবে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে সদিচ্ছা প্রকাশ করেন এবং নিকট ভবিষ্যতে কৌশলগত আলোচনা ও সম্ভাব্য প্রকল্প চিহ্নিতকরণের জন্য টেকনিক্যাল স্তরে পরবর্তী পর্যায়ের কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সরকার আশা করে, এই ধরনের বিনিয়োগ আলোচনার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন