শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশে মুক্তি পাচ্ছে স্পিলবার্গের নতুন ছবি ‘ডিসক্লোজার ডে’

স্টিভেন স্পিলবার্গ—যে নামটি আধুনিক সিনেমার ইতিহাসে এক বিশেষ মর্যাদাবান পরিচয়—তিনি ‘শিন্ডলারস লিস্ট’, ‘ইন্ডিয়ানা জোনস’, ‘জুরাসিক পার্ক’, ‘ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান’ এবং ‘দ্য টার্মিনাল’-র মতো ছবির মাধ্যমে কোটি-লাখ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। তার পরিচালিত ছবিগুলো বিশ্ববক্সঅফিসে ১০ বিলিয়ন ডলারের ওপর আয় করেছে এবং তিনবার অস্কারেও সন্মান পেয়েছেন। তাই নতুন কোনো ছবির ঘোষণা মানে স্বাভাবিকেই দর্শক-মহলে উত্তেজনা।

এইবার সেই প্রতীক্ষিত ঘোষণা বাস্তবে পরিণত হয়েছে—স্পিলবার্গের নতুন ছবির নাম ‘ডিসক্লোজার ডে’, যা শুক্রবার সারাবিশ্বে একযোগে মুক্তি পাচ্ছে এবং একই দিন বাংলাদেশেও প্রদর্শিত হবে। দেশের বিভিন্ন শাখায় মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সে ছবিটি দেখা যাবে।

গত কয়েক বছরে স্পিলবার্গ তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল গল্পে মনোযোগ দিয়েছেন। কিন্তু ‘ডিসক্লোজার ডে’ দিয়ে তিনি আবার ফিরে এসেছেন সেই পরিচিত ময়দানে যেখানে রহস্য, প্রযুক্তি, বিস্ময় ও অজানার আকর্ষণ গেঁথে থাকে। ছবিটি মূলত ভিনগ্রহীয় প্রাণীর আগমন, তাদের সঙ্গে মানুষের সংঘর্ষ এবং সেই সত্যকে গোপন রাখার জন্য গৃহীত এক বৃহৎ সরকারি ষড়যন্ত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।

চিত্রনায়নে রয়েছেন এমিলি ব্লান্ট, জশ ও’কনার, কলিন ফার্থ, ইভ হসন ও কলম্যান ডমিঙ্গোসহ আরও অনেকে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রিমিয়ারে ছবিটি প্রদর্শিত হলে সাংবাদিক ও সমালোচকরা একযোগে প্রশংসা করে বলেছেন—কতকিছু মিলিয়ে এটা স্পিলবার্গের গত দুই দশকের সেরাগুলোর একটিও হতে পারে। বিশেষ করে কাহিনীর তীক্ষ্ণতা, ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস এবং আবেগের মিশেলে অনেকেই ছবির প্রশংসা করেছেন।

তবে এখন প্রধান চমক অপেক্ষা—সাধারণ দর্শক ও সিনেমা হলে যাঁরা প্রতিদিনের জীবন থেকে একটু ভিন্ন, বিস্ময়ের মুহূর্ত খুঁজে আসেন, তাদের কাছে ‘ডিসক্লোজার ডে’ কতটা খাটবে তা দেখতে হবে। রোমাঞ্চ, রহস্য ও মানবিকতা মিলিয়ে স্পিলবার্গ এইবারও দর্শককে বিস্ময়ে তুলি দিতে পারবেন কি না—এটাই আসল প্রশ্ন।

পোস্টটি শেয়ার করুন