সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব সংগীত দিবসে বর্ণালী ও শ্রাবণের নজরুলগীতি ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ প্রকাশ

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জনপ্রিয় বর্ষা গান ‘বরষা ঋতু এলো এলো’ নতুন আঙ্গিকে শ্রোতাদের জন্য পরিবেশন করেছেন শিল্পী বর্ণালী সরকার ও জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ। গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে গানটি অনলাইনে মুক্তি পায়, যেটি প্রকৃতির বর্ষা আবহকে ধরে রেখে তৈরি একটি বিশেষ প্রয়াস বলে শিল্পীরা মনে করেন।

ঋতুর আগমনের তাজা অনুভূতিকে সামনে রেখে এই সংগীতায়োজনে কণ্ঠের মাধুর্যকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে নির্মাতারা। বর্ণালী সরকারের মিষ্টি কণ্ঠের সঙ্গে সেতারের সূর ভুবন রচনা করেছেন জাহাঙ্গীর আলম শ্রাবণ, যা গানের আবহকে একটি স্বচ্ছন্দ ও অনুরণিত রূপ দিয়েছে। রিদম ও তালের ভারসাম্য রাখতে পাখাওয়াজ ও তবলার দায়িত্বে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ পাল, আর পিয়ানোতে সংযোজন করেছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর। অনুষঙ্গ হিসেবে মিশ্রণ ও মাস্টারিংয়ের কাজ নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেছেন ইফতে খাইরুল আলম শুভ।

শিল্পীরা জানান, বিশ্ব সংগীত দিবস তাদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ—বর্ষা যেমন প্রকৃতিকে নতুন করে জীবন্ত করে, তেমনই বর্ষার গান মানুষের মনে সতেজতা জাগায়। তাই গানটির মূল বাণী ও সুর অক্ষুণ্ণ রেখে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সূক্ষ্ম বিন্যাসে নতুন দৃষ্টি সংযোজন করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে বর্ষার অনুভূতি আরও ঘন ও হৃদয়গ্রাহীভাবে পৌঁছায়।

তারা আশা করেন, নজরুলগীতি রীতিনীতিতে রেখে এই সমন্বিত আধুনিক-বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আয়োজনটি প্রবীণ শ্রোতাদের পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের মাঝেও সমাদৃত হবে। মুক্তির পর থেকেই গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। গানটি বর্ষার মাধুর্য ও নজরুলের সুরের timeless সৌন্দর্য নতুনভাবে অনুভব করাতে যাচ্ছেন বলে শিল্পীরা মনে করছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন