সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২২ জুন) দেশের পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ কমে thousand–? যদিও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন কিছুটা বাড়তি দেখা গেছে—এই তথ্য দুই বাজারের পর্যালোচনায় পাওয়া গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৮৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৯ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ৩৫ পয়েন্ট লপ্ত হয়েছে; যার কারণে যথাক্রমে সূচকগুলো ১ হাজার ১২৯ পয়েন্ট এবং ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৮৭৬ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৩৬ কোটি টাকা কম। রবিবার ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
ডিএসইতে এদিন ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটে লেনদেন হয়; এর মধ্যে মাত্র ৩৬টির দর বেড়েছে, ৩১৯টির দর কমেছে এবং ৩৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন বেক্সিমকো ফার্মা, সামিট পোর্ট, ন্যাশনাল ফিড, বিডিথাই এবং রবি। বিশ্লেষকরা বলছেন, অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর পতনের ফলে প্রধান সূচকে এই বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে।
অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৬৭ পয়েন্ট নেমে ১৫ হাজার ৮২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। সিএসইতে আজ ২৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩৯টির দাম বেড়েছে, ১৭৪টির দাম কমেছে এবং ২৬টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৩০ কোটি ৪০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪৪ কোটি টাকা বেশি—এতে লেনদেনের দিক থেকে কিছুটা ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে।
মোটমিলিয়ে সোমবারের বাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেকার সতর্কতা ও ব্যাপক শেয়ার দর পতনের কারণে সূচকে বড় ধরনের ঘাটতি নেমে এলো। বাজার পর্যালোচনায় বিশ্লেষকেরা বলছেন, আগামী কার্যদিবসে কোনো বড় ভিত্তিগত খবর না এলে সংকোচনের ধারাবাহিকতা থাকতে পারে।