গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে মোটামুটি শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বাজার মূলধন ৭ হাজার ৪৯ কোটি টাকা বেড়ে ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা।
ডিএসইর সাপ্তাহিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স মোট ৯৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ উর্ধ্বগতি করেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ১৮ পয়েন্ট ও ব্লু-চিপ কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ প্রায় ৫০ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেনেও ভাল চিত্র দেখা গেছে — বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৭ হাজার ৩৭৪ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৪৫৪ কোটি ৯৭ লাখ টাকা বেশি। প্রতিদিন গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, যা আগের সাপ্তাহিক গড়ের চেয়ে প্রায় ৭ শতাংশ বেশি। তালিকাভুক্ত ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২১৬টির শেয়ার দর বেড়েছে এবং ১৫৫টির দর কমেছে।
অপর দিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ও জোরালো উত্থান পরিলক্ষিত হয়েছে। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেড়ে ১৫ হাজার ৮১৪ দশমিক ৭৭ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সিএসসিএক্স ও সিএসই-৩০ সূচকেও দুই শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধির দেখা মিলেছে। তবে এখানে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে — গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট ১৬৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২১ কোটি ২ লাখ টাকা কম। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯৯টির দাম বেড়েছে এবং ১১৮টির দর কমেছে।
সাবেক অবস্থার তুলনায় এই সাপ্তাহিক গতিশীলতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। ডিএসই ও সিএসইর সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে।