বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি: পৃথক সচিবালয়ের জন্য সব দরজা বন্ধ হয়নি

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল বলেছেন, পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে—এমনটি বলা ঠিক নয়। তিনি বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিলুপ্ত করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কিছু কর্মকর্তাকে গেজেটের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়। বদরুদ্দোজা বাদল বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সেক্রেটারিয়েটের জন্য যারা নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন, তাদের গেজেটের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে—এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। যেহেতু সংশ্লিষ্ট অর্ডিন্যান্সটি এখনও আইন হিসেবে রূপায়িত হয়নি এবং সংসদে পাশ হয়নি, তাই তারা সেই ভূমিকা কার্যকরভাবে পালন করতে পারছে না। ফলে আপাতত তারা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অ্যাটাচড থাকবে এবং পরে বিভিন্ন স্থানে তাদের পোস্টিং দেওয়া হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘এর মানে এই নয় যে পৃথক সচিবালয় বা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’’ বদরুদ্দোজা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, এসব ইস্যুতে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার হিসেবে নিজের অবস্থান ঘোষণা করেছে এবং এই বিষয়গুলো নিয়ে তাদের কথা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগের যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল, সেখানে বিএনপির কোনো প্রতিনিধি ছিল না। ফলে বিএনপির যে মন্তব্য বা প্রস্তাব থাকা উচিত ছিল, সেগুলো কমিটিতে উঠে আসেনি এবং এজন্য বিএনপি মনে করছে ওই অর্ডিন্যান্সটি যথেষ্ট ব্যাপক বা কমপ্রিহেনসিভ ছিল না। সুতরাং তারা পরে সংসদে এটিকে কমপ্রিহেনসিভ বিল হিসেবে উপস্থাপন করবে, যাতে এটি পরিপূর্ণভাবে কার্যকর হয়। তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়া নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই এবং ভিন্ন মতামত প্রকাশেরও দরকার নেই।

আদালত অবমাননার প্রশ্ন উঠলে বদরুদ্দোজা বলেন, ‘‘আদালত অবমাননার কথা কেন উঠবে? সংসদে এটি এখনও পাস হয়নি। বিএনপি তো বলেনি যে আর করবেই না—প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিল আকারে এমনভাবে আনবে যাতে পরে এ নিয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনার সুযোগ না থাকে। তাই এখানে আদালত অবমাননার কোনো বিষয় নেই।’’

পোস্টটি শেয়ার করুন